'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নাট্যকার?
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নাট্যকার?
-
ক
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
-
খ
গিরিশচন্দ্র ঘোষ
-
গ
নূরুল মোমেন
-
ঘ
মুনীর চৌধুরী
গিরিশচন্দ্র ঘোষ (১৮৪৪-১৯১২) ছিলেন বাংলা নাটকের একজন পথিকৃৎ এবং বিখ্যাত নাট্যকার। তিনি **সিরাজউদ্দৌলা** ছাড়াও আরও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য নাটক রচনা করেছেন। তাঁর কিছু বিখ্যাত নাটকের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
গিরিশচন্দ্র ঘোষের উল্লেখযোগ্য নাটক:
১. সিরাজউদ্দৌলা (১৮৯৮)
২. চৈতন্যলীলা (১৮৮৬)
৩. বিল্বমঙ্গল (১৮৮৬)
৪. প্রহ্লাদ চরিত্র (১৮৮৭)
৫. মীর কাসিম (১৯০৬)
৬. পাণ্ডব গৌরব (১৮৭৪)
৭. সীতার বনবাস (১৮৮১)
৮. নলদময়ন্তী (১৮৮১)
৯. হরিশচন্দ্র (১৮৭৫)
১০. বুদ্ধদেব চরিত (১৮৮৪)
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩-১৯১৩) ছিলেন একজন বিখ্যাত নাট্যকার, কবি এবং গীতিকার। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- শাজাহান
- চন্দ্রগুপ্ত
- নূরজাহান
- সীতা
- মেবার পতন
- প্রবাসী
নূরুল মোমেন:
নূরুল মোমেন (১৯০৮-১৯৯০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট নাট্যকার, শিক্ষাবিদ এবং সাহিত্যিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- নেমেসিস
- রূপান্তর
- অন্তরাল
- বিপরীত তীর
- অবরোধ৩
. মুনীর চৌধুরী:
মুনীর চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১) ছিলেন একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, সাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- কবর
- রক্তাক্ত প্রান্তর
- চিঠি
- দণ্ডকারণ্য
- মহাবিদ্রোহ
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের নাট্যকার সিকানদার আবু জাফর।
-এটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৫),
- মহাকবি আলাওল (১৯৬৬),
- শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫২),
- মাকড়সা (১৯৬০) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
সিকান্দার আবু জাফর ১৯১৯ সালের ৩১ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ মঈনুদ্দীন হাশেমী, আর মাতা জোবেদা খানম। কবির প্রকৃত নাম ছিল সৈয়দ সিকান্দার আবু জাফর হাশেমী বখত। স্থানীয় তালা বিডি ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৩৬ সনে তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে কিছুদিন অধ্যয়ন করেন। প্রথমে তিনি কলকাতার একটি সরকারী সংস্থায় চাকরি করেন। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হন। চাকরি এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্বাধীন ব্যবসায়ের প্রতিও তিনি একসময় মনোযোগী হয়ে ওঠেন। ভারত বিভক্তির পর তিনি কলকাতার জীবন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে একদিকে সাহিত্যচর্চা, অন্যদিকে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি রেডিও পাকিস্তান ঢাকা কেন্দ্রে স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। সিকান্দার আবু জাফরের জীবনের একটা বৃহত্তর অংশ জুড়ে আছে তাঁর সাংবাদিক কর্মধারা। কলকাতা থেকে ঢাকায় আসার পরে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সম্পাদীয় বিভাগে কিছুদিন কাজ করেন। দৈনিক সংবাদের প্রথম সম্পাদকীয় তাঁরই লেখা। সংবাদের পর তিনি ইত্তেফাক এবং মিল্লাত পত্রিকায়ও সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন। ১৯৫৭ সালে সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বিখ্যাত সমকাল পত্রিকা। বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে সমকাল পত্রিকার অবদান অসামান্য। নতুন লেখক সৃষ্টিতে সমকাল-এর সম্পাদক ও সহকারী সম্পাদক পালন করেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। ১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অভিযান পত্রিকা। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অভিযান পত্রিকার প্রকাশ একটি দুঃসাহসী এবং ঐতিহাসিক ঘটনা। সিকান্দার আবু জাফরের সাহিত্যজীবনও গৌরবোজ্জ্বল কীর্তিতে ভাস্বর। স্কুল জীবন থেকেই তিনি কবিতা লিখতে আরম্ভ করেন। কর্মজীবনের সঙ্গে সঙ্গে অগ্রসর হতে থাকে তাঁর সাহিত্যসাধনা। একে একে প্রকাশিত হতে থাকে তাঁর কাব্য, উপন্যাস, নাটক, ছড়া ও অনুবাদগ্রন্থসমূহ। গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গেও সিকান্দার আবু জাফরের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তাঁর ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই চলবে' গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপুল প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে। বাংলাদেশের সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম ছিল নিরলস ও অকুণ্ঠ। নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৬৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন ।
সিকান্দার আবু জাফরের প্রধান সাহিত্যকর্ম :
- কবিতা: প্রসন্ন প্রহর (১৯৬৫), বৈরীবৃষ্টিতে (১৯৬৫), তিমিরান্তিক (১৯৬৫), কবিতা ১৩৭২ (১৯৬৮), কবিতা- ১৩৭৪ (১৯৬৮), বৃশ্চিক লগ্ন (১৯৭১), বাঙলা ছাড়ো (১৯৭২)।
- গানের বই : মালব কৌশিক (১৯৬৬)
- উপন্যাস : মাটি আর অশ্রু (১৯৪২), জয়ের পথে (১৯৪৩), পূরবী (১৯৪৪), নতুন সকাল (১৯৪৫)
- নাটক: শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫৮), সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৫), মহাকবি আলাউল (১৯৬৬);
- অনুবাদ: যাদুর কলস (১৯৫৯), সেন্ট লুইয়ের সেতু (১৯৬১), পশ্চিমের পারাবাত (১৯৬২), রুবাইয়াৎ-ই ওমর খৈয়াম (১৯৬৬), সিংয়ের নাটক (১৯৭১)।
নাটক সাহিত্যতত্ত্বের একটি পারিভাষিক শব্দ। কোনো দ্বন্দ্বমূলক আখ্যান যদি চরিত্রসমূহের সংলাপের মাধ্যমে মূর্ত হয়ে উঠে তাহলে তাকে নাটক বলে। নাটকে কাহিনি থাকে তবে কাহিনির চেয়ে মুখ্য হয়ে ওঠে চরিত্রসমূহের দ্বন্দ্ব। কাহিনি, চরিত্র, ঘটনাসমাবেশ ও সংলাপ হলো নাটকের মূল অঙ্গ।
নাটকঃ
রঙ্গমঞ্চে মানুষের সুখ-দুঃখকে স্বাভাবিক অভিনয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করাকে নাটক বলে। নাটক সংলাপ ও অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চে প্রদর্শিত হয়ে থাকে। এর অপর নাম 'দৃশ্যকাব্য'। গদ্যরীতির উৎকর্ষের পরে নাটকের যাত্রা।
নাটক এর প্রকারভেদঃ
বাংলা নাটককে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. রসপ্রধান:
ক. ট্রাজেডি (কৃষ্ণকুমারী)
খ. কমেডি (চক্ষুদান)
গ. মেলোড্রামা (প্রফুল্ল)
ঘ. ফার্স/প্রহসন (একেই কি বলে সভ্যতা)
২. রূপপ্রধান:
ক. গীতিনাট্য (বাল্মীকি প্রতিভা)
খ. নৃত্যনাট্য (নটীর পূজা)
Key notes:
- কলকাতার লালবাজারে 'প্লে-হাউজ' এ প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয় ১৭৫৩ সালে।
- বাংলা নাটক প্রথম অভিনীত হয় ১৭৯৫ সালে। হেরাসিম লেবেডেফ নামে রুশদেশীয় এক ব্যক্তি প্রথম The Disguise ও Love is the best Doctor নামে দুটি নাটক বাংলায় অনুবাদ করে এদেশীয় পাত্র-পাত্রীর দ্বারা অভিনয় করান।
- বাংলা নাটক প্রথম মঞ্চে অভিনীত হয় ১৮৩১ সালে।
- প্রথম বাংলা মৌলিক নাটক তারাচরণ শিকদার রচিত 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২)। এ নাটকের মূল বিষয় অর্জুন কর্তৃক সুভদ্রা হরণের কাহিনি। মহাভারত থেকে কাহিনি সংগ্রহ করা হলেও বাঙালি সমাজের বাস্তব পরিবেশ এতে অঙ্কিত হয়েছে। এটি বাঙালি কর্তৃক রচিত প্রথম কমেডি নাটক।
- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ও আধুনিক নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯)। এটি রচিত হয়েছে পুরাণের কাহিনি অবলম্বনে।
- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১)। উইলিয়াম টডের 'রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে মধুসূদন এ নাটকের কাহিনি সংগ্রহ করেন। চরিত্র: কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, ভীমসিং, বিলাসবতী।
- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক কমেডি নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'পদ্মাবতী' (১৮৬০)। এ নাটকের ২য় অঙ্কের ২য় গর্ভাঙ্কে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রয়োগ করেন। এটি গ্রিক পুরাণের Apple of Discord অবলম্বনে রচিত।
- বাংলা ভাষার মুসলমান রচিত প্রথম নাটক মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বসন্ত কুমারী' (১৮৭৩)। বৃদ্ধ রাজা বীরেন্দ্র সিংহের যুবতী স্ত্রী রেবর্তী সপত্নী পুত্র নরেন্দ্র সিংহকে প্রেম নিবেদন করে প্রত্যাখাত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে। পরিণামে সমগ্র রাজ পরিবারটি ধ্বংস হয়ে যায়, এটিই এ নাটকের মূল বিষয়।
- বাংলা ভাষায় মুসলমান চরিত্র অবলম্বনে প্রথম নাটক মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'জমীদার দর্পণ' (১৮৭৩)। অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্ত প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নূরন্নেহারকে ধর্ষণ ও হত্যার কাহিনি এর মূল বিষয়।
- বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম ট্রাজেডি রচনার প্রচেষ্টা যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত রচিত 'কীর্তিবিলাস' (১৮৫২)। সপত্নীপুত্রের প্রতি বিমাতার অত্যাচারের কাহিনি অবলম্বনে এটি রচিত। বিভিন্ন চরিত্রের মৃত্যুর মাধ্যমে ট্রাজেডির রূপায়ণ এ নাটকের বৈশিষ্ট্য।
- ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক দীনবন্ধু মিত্র রচিত 'নীলদর্পণ' (১৮৬০)। এতে মেহেরপুরের কৃষকদের ওপর নীলকরদের নির্মম নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে। নাটকটি প্রথম মঞ্চায়ন হয় ঢাকায়। এ নাটকের অভিনয় দেখতে এসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মঞ্চের অভিনেতাদের লক্ষ্য করে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন। মাইকেল মধুসূদন A Native ছদ্মনামে ইংরেজিতে The Indigo Planting Mirror নামে অনুবাদ করেন। চরিত্র: নবীন মাধব, তোরাপ।
- বাংলা ভাষার প্রথম সাংকেতিক নাটক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'শারদোৎসব' (১৯০৮)।
- ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য জীবনানুভূতির গভীরতায়।
বিখ্যাত নাটক | |
নাট্যকার | নাটকের নাম |
| তারাচরণ শিকদার | 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২): এটি বাঙালি কর্তৃক বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক। |
| যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত | 'কীর্তিবিলাস' (১৮৫২): বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম ট্রাজেডি নাটক। |
| রামনারায়ণ তর্করত্ন | 'কুলীনকুল সর্বস্ব' (১৮৫৪): এটি কৌলিন্য প্রথা অবলম্বনে রচিত। 'বেণী সংহার', 'যেমন কর্ম তেমন ফল (প্রহসন), 'উভয়সঙ্কট' (প্রহসন)। |
| মাইকেল মধুসূদন | 'শর্মিষ্ঠা', 'পদ্মাবতী', 'কৃষ্ণকুমারী', 'মায়াকানন'। |
| গিরিশচন্দ্র ঘোষ | 'প্রফুল্ল' (১৮৮৯): লেখকের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ বিয়োগান্তক নাটক। 'সীতার বনবাস', 'সীতাহরণ', সিরাজদ্দৌলা । |
| দীনবন্ধু মিত্র | 'নীলদর্পণ': এটি ঢাকার বাংলা প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ। 'কমলে কামিনী', 'জামাই বারিক', 'নবীন তপস্বিনী', 'লীলাবতী'। |
| দ্বিজেন্দ্রলাল রায় | ঐতিহাসিক নাটক: 'সাজাহান', 'নুরজাহান', 'প্রতাপসিংহ', 'দুর্গাদাস', 'মেবারপতন', 'তারাবাঈ', 'তাপসী'। রোমান্টিক ও পৌরাণিক নাটক: 'সিংহলবিজয়', 'সীতা', 'ভীষ্ম', 'সোহরাব-রুস্তম', 'চন্দ্রগুপ্ত'। কাব্যনাট্য: 'পাষাণী'। সামাজিক নাটক: 'পরপারে', 'বঙ্গনারী', 'কল্কি অবতার', 'বিরহ', 'প্রায়শ্চিত্ত', 'আনন্দ বিদায়'। |
| রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | 'বাল্মীকি প্রতিভা': প্রথম প্রকাশিত নাটক। অধিকাংশের মতে, 'রূদ্রচণ্ড'। রূপক ও সাংকেতিক নাটক: 'ডাকঘর', 'কালের যাত্রা', 'তাসের দেশ', 'রাজা', 'অচলায়তন', 'রক্তকরবী'। নৃত্যনাট্য: 'চিত্রাঙ্গদা', 'চণ্ডালিকা', 'নটীর পূজা', 'শ্যামা'। কাব্যনাট্য: 'প্রকৃতির প্রতিশোধ', 'মায়ার খেলা', 'বিদায় অভিশাপ', 'রাজা ও রানী'। অন্যান্য নাটক: 'বিসর্জন', 'চিরকুমার সভা', 'বৈকুণ্ঠের খাতা', 'বসন্ত'। |
| শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | 'ষোড়শী', 'বিজয়া', 'রমা'। |
| কাজী নজরুল ইসলাম | 'ঝিলিমিলি': এটি ৩টি নাটকের সংকলন এবং প্রথম নাট্যগ্রন্থ। 'আলেয়া', 'মধুমালা', 'পুতুলের বিয়ে'। |
| সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ | 'উজানে মৃত্যু', 'বহিপীর', 'তরঙ্গভঙ্গ', 'সুড়ঙ্গ'। |
| মুনীর চৌধুরী | 'রক্তাক্ত প্রান্তর': এটি তাঁর রচিত প্রথম নাটক। 'কবর': ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। 'মানুষ', 'দণ্ডকারণ্য', 'নষ্ট ছেলে', 'চিঠি', 'পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য'। |
| অমৃতলাল বসু | 'বিবাহ বিভ্রাট', 'চোরের উপর বাটপারি', 'ডিসমিস', 'কৃপণের ধন' (সবগুলোই প্রহসন)। |
| সিকান্দার আবু জাফর | 'সিরাজ-উদ্-দৌলা', 'মহাকবি আলাওল'। |
| মামুনুর রশীদ | 'গিনিপিগ', 'ওরা কদম আলী', 'ইবলিশ'। |
| জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর | 'পুরুবিক্রম নাটক', 'কিঞ্চিত জলযোগ' (প্রহসন)। |
| আব্দুল্লাহ আল মামুন | 'সুবচন নির্বাসনে', 'কোকিলারা'। |
| ক্ষীরোদপ্রসাদ | 'আলিবাবা', 'রঘুবীর'। |
| তুলশী লাহিড়ী | 'ছেঁড়াতার', 'পথিক'। |
| সাঈদ আহমদ | 'কালবেলা', 'তৃষ্ণায়'। |
| বিজন ভট্টাচার্য | ‘নবান্ন’ |
| আনিস চৌধুরী | 'মানচিত্র', 'এ্যালবাম'। |
| জিয়া হায়দার | ‘এলেবেলে’ |
| হানিফ সংকেত | 'শোধ-বোধ' |
| মমতাজ উদ্দিন আহমেদ | 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা', ‘সুখী মানুষ’ |
| জোবেদা খানম | 'ওরে বিহঙ্গ' |
| ইব্রাহীম খলিল | ‘স্পেনবিজয়ী মুসা’ |
| শাহাদৎ হোসেন | 'আনারকলি', 'মসনদের মোহ'। |
Related Question
View All-
ক
৬টি
-
খ
৪টি
-
গ
৫টি
-
ঘ
৭টি
-
ক
কৃষ্ণকুমারী
-
খ
বীরাঙ্গনা
-
গ
বিসর্জন
-
ঘ
নীলদর্পণ
-
ক
কৃষ্ণকুমারী
-
খ
বীরাঙ্গনা
-
গ
বিসর্জন
-
ঘ
নীলদর্পন
-
ক
মহাকাব্য
-
খ
আত্মজীবনী
-
গ
গল্প
-
ঘ
নাটক
-
ক
আনিস চৌধুরী
-
খ
সাঈদ আহমেদ
-
গ
কল্যাণ মিত্র
-
ঘ
মুনীর চৌধুরী
-
ক
অতিরঞ্জন
-
খ
অতিকথন
-
গ
চরিত্রের আধিক্য
-
ঘ
কম চরিত্রের উপস্থিতি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন